মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকট তীব্রতর হওয়ায় আকাশপথে তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও। শুক্রবারও নতুন করে বাতিল করা হয়েছে ৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট। সব মিলিয়ে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুক্রবার পর্যন্ত এই বিমানবন্দর থেকে বাতিলের তালিকায় যুক্ত হলো মোট ২৪৫টি ফ্লাইট। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় জটিলতা বজায় থাকায় মূলত শারজা, দুবাই ও আবুধাবি রুটের ফ্লাইটগুলো সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শুক্রবারের বুলেটিন অনুযায়ী বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলো হলো- ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস : মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ১টি ও চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল এমন ১টি ফ্লাইট। এয়ার আরাবিয়া : শারজা থেকে আসা ও যাওয়ার ২টি ফ্লাইট। সালাম এয়ার : মধ্যপ্রাচ্যগামী ও ফিরতি পথের আরও ২টি ফ্লাইট। শুধুমাত্র মধ্যপ্রাচ্য কেন্দ্রিক ফ্লাইট চলাচলের স্থবিরতা অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও এ দিন বিভিন্ন বিমান সংস্থার মোট ৯টি ‘অ্যারাইভাল’ ও ৬টি ‘ডিপার্চার’ ফ্লাইট সচল ছিল। মূলত সালাম এয়ার, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলার সংযুক্ত আরব আমির রুটের ফ্লাইটগুলিই সবথেকে বেশি অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধাবস্থার কারণে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত শাহ আমানত বিমানবন্দরে মোট ২৪৫টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ। তিনি বলেন, ‘যুদ্ধের উত্তাপ সরাসরি যাত্রী পরিষেবায় এসে পড়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন কয়েক হাজার প্রবাসী ও পর্যটক। পরিস্থিতির কবে উন্নতি হবে, সে দিকেই এখন চাতক পাখির মতো তাকিয়ে রয়েছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও সাধারণ যাত্রীরা।’
0 Comments
Your Comment