ঘরোয়া ফুটবলে নতুন মৌসুমের দলবদল শেষ হয়েছে। কর্মসূচিতে আগের মতো জলুস না থাকলেও লোকাল ফুটবলাররা কে কোথায় খেলবেন তা নিয়ে আলোচনা ছিল। ছয়বারের লিগ চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস থেকে একাধিক খেলোয়াড় নতুন ঠিকানা বেছে নেওয়ায় বেশ হইচই পড়ে যায়। সাদউদ্দিন, ফাহিম ফয়সাল, সোহেল রানা (ছোট), আনিসুর রহমান জিকো, শাহরিয়ার ইমন মোহামেডানে যোগ দেওয়ায় দলবদল হঠাৎ চাঙা হয়ে উঠেছিল। আবার তপু বর্মণ, রাকিব, বিশ্বনাথ, শ্রাবণ, সোহেল রানার (বড়) কিংসে থাকা নিয়েও ফুটবলপ্রেমীরা নানান আলোচনা করেছেন।
শেখ মোরসালিন আবাহনীতে থাকবেন নাকি অন্য কোথাও যাবেন, তা নিয়েও অনেকের আগ্রহ ছিল। কাজিম শাহের কিংসে যোগ দেওয়াটাকে চমকই বলা হচ্ছে। উঠতি খেলোয়াড়দের নিয়েও কথা উঠেছিল। আশ্চর্যের ব্যাপার, গত কয়েক বছরের মতো জামাল ভূঁইয়ার দলবদল নিয়ে তেমন কোনো আগ্রহ বা উত্তেজনা তৈরি হয়নি। জামাল এবারও ব্রাদার্স ইউনিয়নে রয়েছেন। অথচ অনেকের ধারণা ছিল এবার যখন পেশাদার ফুটবলে ১৩ ক্লাব খেলবে, তখন কেউ না কেউ জামালকে পেতে আগ্রহ দেখাবে। বসুন্ধরা কিংস, আবাহনী, মোহামেডান, ফর্টিস বা পুলিশ দূরের কথা; নবাগত দুই ক্লাব সেই সঙ্গে ফকিরেরপুল, আরামবাগ ও ওয়ান্ডারার্স কেউ তাঁকে নিতে আগ্রহ দেখিয়েছে এমনটি শোনা যায়নি। নীরবেই পুরান ক্লাব ব্রাদার্সে থেকে গেছেন।
প্রশ্ন হচ্ছে-জামাল কেন আড়ালেই থেকে যাচ্ছেন? জাতীয় দলকে দীর্ঘ সময় নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। তার পরও লোকাল ফুটবলে কেন তাঁর গুরুত্ব নেই? বলা হচ্ছে, পারফরম্যান্স যদি না থাকে তাহলে আগ্রহ দেখাবে কোন যুক্তিতে। সেটাই যদি হয় তাহলে জাতীয় দলে অনবরত সুযোগ পাচ্ছেন কীভাবে? এ প্রশ্ন এখন অনেকেরই।
0 Comments
Your Comment