আড়াই বছরের কাজ পাঁচ বছরেও শেষ হয়নি

অর্থ বরাদ্দের অভাব এবং চলমান পরিস্থিতিতে তিস্তা সেচ সম্প্রসারণ প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ প্রকল্পের কাজ শেষ করতে সময় ধরা হয়েছিল আড়াই বছর। সেখানে পাঁচ বছরেও কাজ শেষ হয়নি। এ পর্যন্ত কাজ এগিয়েছে মাত্র ৬৩ শতাংশ। ২০২২ সালের জানুয়ারিতে কাজ শুরু হয়ে ২০২৪ সালের জুনে এ প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। প্রকল্পের মেয়াদ আড়াই বছর বাড়িয়ে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে। এদিকে চলতি মৌসুমে বোরো আবাদে এবারও তিস্তা সেচ কমান্ড এলাকায় ২৭ হাজার হেক্টর জমি সেচের বাইরে থাকছে। বোরো মৌসুমে ১৫ জানুয়ারি থেকে সেচ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বিগত বছরগুলোর মতো এবারও তিস্তার পানি দিয়ে শতভাগ সেচ দেওয়া সম্ভব হবে না। পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, তিস্তা সেচ প্রকল্পের পরিধি বাড়ানোর উদ্যোগ নেয় পানি স¤পদ মন্ত্রণালয়। ওই উদ্যোগের অংশ হিসেবে ২০২১ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেকে) পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ‘তিস্তা সেচ প্রকল্পের কমান্ড এলাকার পুনর্বাসন ও সম্প্রসারণ’ প্রকল্প পাস হয়। এর পরে ২০২২ সালে জানুয়ারিতে কাজ শুরু হয়। প্রকল্প ব্যয় ধরা হয় ১ হাজার ৪৫২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। ২০২৪ সালের জুন মেয়াদে বাস্তবায়নের কথা থাকলেও তা হয়নি। পরবর্তীতে প্রকল্পের মেয়াদ আড়াই বছর বাড়ানো হয়। প্রকল্প কমান্ড এলাকার ১ লাখ ১৬ হাজার হেক্টর জমিতে তৃণমূল পর্যায়ে সেচের পানি পৌঁছে দিতে ৭৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ সেকেন্ডারি আর টারসিয়ারি সেচ ক্যানেল নির্মাণে বিশেষ এ প্রকল্প একনেকে পাস হওয়ার পর কাজ শুরু করে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে প্রতি বছর অতিরিক্ত প্রায় ১০ লাখ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য উৎপাদন হওয়ার আশা করে পানি উন্নয়ন বোর্ড। ১৫ জানুয়ারি থেকে চলতি বোরো মৌসুমে সেচ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবিব বলেন, প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে ৬৩ থেকে ৬৫ শতাংশ।

0 Comments

Your Comment