গাজীপুরের শ্রীপুরে পারিবারিক কলহের জেরে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সীমা রানী দাসকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী উদ্ভব দাসের বিরুদ্ধে। হত্যার পর জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেন তিনি। পরে ঘটনাস্থল থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রবিবার (১১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার রাজাবাড়ি ইউনিয়নের চিনাশুকানিয়া গ্রামের বড়চালা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সীমা রানী দাস (২৫) ওই গ্রামের বাসিন্দা উদ্ভব দাসের স্ত্রী। উদ্ভব একই গ্রামের নকুল দাসের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা জহিরুল হক বলেন, স্ত্রীকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার পর উদ্ভব নিজেই পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে। নারীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘরের বিভিন্ন স্থানে রক্ত ছড়িয়ে ছিল। দেখে মনে হয়েছে, সেখানে ধস্তাধস্তি হয়েছে। পারিবারিক কলহের জেরে তাঁদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়াঝাঁটি হতো বলেও জানান তিনি।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, স্ত্রীকে হত্যার পর ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেন অভিযুক্ত স্বামী। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে।
ওসি আরও বলেন, নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। তাঁর গলা কাটা এবং মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
Subscribe to stay up-to-date on all the latest news
0 Comments
Your Comment