চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ থানার ধুম ইউনিয়নে ১২ বছরের এক কিশোরকে সাইকেল, মোবাইল ও কবুতর দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বলৎকার করার দায়ে মো.বাদশা মিয়া (৪৭) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক বেগম ফেরদৌস আরা এ রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট এম এ নাসের চৌধুরী বলেন, ৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমাণে কিশোরকে বলৎকার করার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামি বাদশা মিয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ,১ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড অনাদায় আরও ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। রায়ের সময় আসামি ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন। পরে সাজা পরোয়ানামূলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার নথি থেকে জানা যায়, জোরারগঞ্জ থানার ধুম ইউনিয়নের মহাজনহাট কলেজ রোডের একটি ভাড়া ঘরে ২০২১ সালের ২৩ আগস্ট রাত থেকে ২৪ আগস্টের যেকোনো সময়ে ১২ বছরের এক কিশোরকে সাইকেল, মোবাইল ও কবুতর দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে জোর পূর্বক বলৎকার করে। এ ঘটনায় থানায় মামলা করা হলে আসামি মো.বাদশা মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ তদন্ত শেষে একই বছরের ৩০ নভেম্বর আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। ২০২২ সালের ৩ এপ্রিল ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।
চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আজ প্রকাশিত হতে যাচ্ছে।শনিবার সকাল ১১টায় শিক্ষামন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফল ঘোষণা করবেন। ফল প্রকাশের পর পরীক্ষার্থীরা ঘরে বসেই অনলাইন…
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৬ বাংলাদেশি শ্রমিকের মধ্যে বাকি সাতজনের মরদেহ আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) দেশে ফিরছে। সকালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি…
বিশ্ব চলচ্চিত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। সেই ধারায় নতুন সংযোজন হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রও। সম্পূর্ণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে নির্মিত দেশের প্রথম সিনেমা ‘গ্যাপ’ এখন…
জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ, লাইন মেরামত এবং বিদ্যুৎ সঞ্চালনা লাইনের আশপাশের গাছের ডালপালা কাটার কাজের জন্য আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) দেশের কয়েকটি জেলায় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। কোথাও…
ফুটবল মাঠে প্রতিপক্ষের বিপক্ষে লড়াই করেন বল পায়ে, এবার গাজার অসহায় শিশুদের জীবন বাঁচাতে মানবতার হাত বাড়িয়ে দিলেন হামজা চৌধুরী। বাংলাদেশি এই ফুটবলারের উদ্যোগে সংগৃহীত হয়েছে ১ লাখ…
মন্তব্য (১)
SPBhGfXa
TzFhKrQciOUAIWjb