বগুড়া জেলা পুলিশের বিভিন্ন বিল-ভাউচার জালিয়াতি করে সরকারি অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। ভুয়া ভাতা (টিএ) বিল তৈরি করে আত্মসাৎ করা সরকারি অর্থের পরিমাণ ইতোমধ্যে ৩ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এ ঘটনায় জেলা পুলিশের সাবেক ও বর্তমান ৩০ সদস্যের নাম তদন্তে উঠে এসেছে। এর মধ্যে ২০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে তদন্ত কমিটি। গত ৭ সেপ্টেম্বর ‘বগুড়ায় ৭ পুলিশের কোটি টাকা আত্মসাতের তদন্ত শুরু’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করে বাংলাদেশ প্রতিদিন। প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে তৎপরতা বাড়ে। এরপর তদন্ত কমিটি অনুসন্ধান শুরু করলে একের পর এক পুলিশ সদস্যের নাম এবং বিপুল অর্থের লেনদেনের তথ্য সামনে আসতে থাকে। তদন্ত কমিটি সূত্র জানায়, ভুয়া টিএ বিল তৈরি করে সরকারি অর্থ আত্মসাতের ঘটনাটি প্রাথমিকভাবে যতটা ধারণা করা হয়েছিল, তদন্তে এর পরিধি তার চেয়ে অনেক বেশি।
জানা গেছে, টিএর বিষয়টি নিয়ে পুলিশের ভিতরে অসন্তোষ ও সন্দেহ তৈরি হয়। এর মধ্যেই পুলিশ সুপারের কম্পিউটার আইডি অন্য কেউ ব্যবহার করার ঘটনা সামনে আসে। বগুড়ার পুলিশ সুপার মীর্জা সায়েম মাহমুদ জানান, গত ১৯ আগস্ট সকালে দাপ্তরিক কাজ করার সময় তার কম্পিউটার আইডিতে অস্বাভাবিকতা দেখতে পান তিনি। ধারণা হয়, তার আইডি অন্য কেউ ব্যবহার করেছে। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে জেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তাকে জানান তিনি। বিষয়টি তদন্তাধীন।
Subscribe to stay up-to-date on all the latest news
0 Comments
Your Comment