টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আজ থেকে শুরু হয়েছে। কলকাতার খ্যাতনামা ইডেন গার্ডেন্সে প্রথম দিনেই মাঠে নামার কথা ছিল বাংলাদেশের। তবে নিরাপত্তা শঙ্কায় বাংলাদেশ বিশ্বকাপ বয়কট করেছে। ফলে ৩০ বছর পর বাংলাদেশকে ছাড়া বিশ্বকাপ মাঠে গড়িয়েছে। সম্প্রতি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) নির্দেশে মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স। এর ধারাবাহিকতায় নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে নিজেদের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে আইসিসি সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে। বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করে আইসিসি। ২০০৭ সালে শুরু হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম আসর থেকে এখন পর্যন্ত নয়টি আসরে বাংলাদেশ উপস্থিতি ছিল। কিন্তু দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে এবার কেবল দর্শক হয়েই থাকতে হচ্ছে। ওভারঅল বিশ্বকাপ হিসেব করলে বাংলাদেশ ছাড়া বিশ্বকাপ হয়েছিল ১৯৯৬ সালে। সময়ের হিসেবে প্রায় ৩০ বছর। ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলে। এরপর যত বারই এই বৈশ্বিক ইভেন্ট মাঠে গড়িয়েছে, সবকটিতেই অংশ নিয়েছে লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। ভারতে না গিয়ে বাংলাদেশ দল খেলছে মিরপুরে, তিন দলের অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপে। অথচ আজ কলকতায় ক্যারিবিয়দের বিপক্ষে বেলা তিনটায় মাঠে নামার কথা ছিল লিটন দাসদের। তবে চিত্রনাট্য পাল্টে গেছে, বাংলাদেশকে বাইরে রেখে সুযোগ করে দেয় র্যাংকিংয়ে ১৪তম দল স্কটল্যান্ডকে। এতে করে বিশ্বকাপ হারিয়েছে এর সার্বজনিন গুরুত্ব। আইসিসি’র সভায় বাংলাদেশ একমাত্র পাশে পেয়েছিল পাকিস্তানকে। শুরুতে পাকিস্তান বলেছে, বাংলাদেশের দাবি মানা না হলেও তারা বিশ্বকাপ বয়কট করবে। যদিও পরে সে অবস্থান থেকে সরে আসে পাকিস্তান। দেশের সরকার সিদ্ধান্ত নেয়, পাকিস্তান বিশ্বকাপে অংশ নিলেও ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলবে না। যদিও বিশ্বকাপে না থেকেও আছে বাংলাদেশ! বাংলাদেশের দুই আম্পায়ারের শরফুদ্দৌলা ইবনে সৈকত ও গাজী সোহেল বিশ্বকাপের ম্যাচ পরিচালনা করবেন। শরফুদ্দৌলা ইবনে সৈকত ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপেও ম্যাচ পরিচালনা করেছেন। তিনি আইসিসির এলিট প্যানেলের আম্পায়ার। গাজী সোহেল এবারই প্রথমবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আম্পায়ারিং করবেন। এছাড়া ধারাভাষ্যকারদের তালিকাতেও রয়েছে বাংলাদেশের আতহার আলির নাম। বিশ্বব্যাপী পরিচিত এই ধারাভাষ্যকার নিয়মিত বিভিন্ন সিরিজ ও বিশ্বকাপে ধারাভাষ্য প্রদান করেন।
0 Comments
Your Comment